দিল্লির লালকেল্লার অদূরে বিস্ফোরণকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর থেকে এক ডাক্তারি পড়ুয়া-সহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছিল। তবে, টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার (১৬ই নভেম্বর, ২০২৫) তাঁদের সকলকেই মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দিল্লির ওই বিস্ফোরণের সঙ্গে ধৃতদের কোনো নির্দিষ্ট বা সরাসরি যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি।
মূল ঘটনাক্রম
যাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে:
জাহান নিশার আলম: উত্তর দিনাজপুরের বাসিন্দা এবং হরিয়ানার আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তারি পড়ুয়া।
ডঃ রেহান: চিকিৎসক।
ডঃ মহম্মদ: চিকিৎসক।
ডঃ মুস্তাকিম: চিকিৎসক।
তাঁদের পাশাপাশি সার বিক্রেতা দীনেশ সিংলা-কেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
গ্রেফতারের পটভূমি:
দিল্লিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় NIA একটি “হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল” (white-collar terror module)-এর তদন্ত শুরু করে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল হরিয়ানার আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়।
লুধিয়ানার বাসিন্দা নিশার আলম, উত্তর দিনাজপুরে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন। শুক্রবার ভোরে NIA তাঁকে সেখান থেকেই গ্রেফতার করে।
বাকি তিন চিকিৎসককে হরিয়ানার নুহ্ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
মুক্তির কারণ:
তদন্তকারীরা মূলত খতিয়ে দেখছিলেন যে, এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত উমর উন-নবির সঙ্গে তাঁদের কোনো সাম্প্রতিক যোগাযোগ ছিল কি না।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উমরের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় থাকলেও সাম্প্রতিক অতীতে কোনো যোগাযোগ বা বিস্ফোরণকাণ্ডে তাঁদের কোনো ভূমিকা ছিল না।
নির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবেই তাঁদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বর্তমান পরিস্থিতি:
NIA জানিয়েছে, মুক্তি পেলেও ওই চারজনকে আপাতত কয়েক দিন বিশেষ নজরদারিতে রাখা হবে।

